মাদারীপুর প্রতিনিধ: রফিকুল ইসলাম মিন্টু
মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও বোনাস না পাওয়ায় শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করেছে দপ্তরিরা। বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরীফ মুহাম্মদ ইমারত হোসেনের কার্যালয় ঘেরাও করেন তারা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরিরা জানান, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে সদর উপজেলার ৫৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। প্রতিমাসে ১৬ হাজার ৬শ’ ৭৩ টাকা বেতন পেয়ে আসছেন তারা। পাচ্ছেন বৈশাখী ভাতা ও বছরে দুটি ঈদ বোনাস। সেই হিসেবে গত বৈশাখী ভাতা ৩ হাজার ৩শ’ ৩৬ টাকা ও ঈদ উল আযহার উৎসব ভাতা ৮ হাজার ৩শ’ ৩৪ টাকা করে দেয়ার কথা প্রত্যেক দপ্তরিকে। কিন্তু ৫৬ দপ্তরির কেউই এই ভাতা ও বোনাস পাননি। বেশ কয়েকবার বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোন আলোর মুখ দেখেনি। ফলে বাধ্য হয়ে নায্য দাবি নিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করেন তারা। পরে দুপুর ২টার দিকে কর্মকর্তার আশ^াসে স্থান ত্যাগ করেন দপ্তরিরা।

মাদারীপুর সদর উপজেলার দপ্তরি কল্যাণ সমিতির সভাপতি ইমারত হোসেন জানান, ‘সামান্য বেতন পায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত দপ্তরিরা। বছরে সরকার প্রদেয় ভাতা ও বোনাস না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উৎসব আনন্দে কাটাতে পারেনি। তাই জরুরিভিত্তিতে এই বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হৃদয় মৃধা বলেন, ‘মাদারীপুর জেলার অন্যান্য উপজেলার দপ্তরিরা এই উৎসব ভাতা ও বোনাস পেয়েছে। কিন্তু সদর উপজেলার দপ্তরিরা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আমরা আমাদের নায্য পাওনা দেয়ার অনুরোধ করছি।’

মাদারীপুর সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরীফ মুহাম্মদ ইমরাত হোসেন জানান, ‘একদিকে বরাদ্দ নেই, অন্যদিকে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আপত্তি থাকায় উৎসব ভাতা ও বোনাস দেয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আবারও চিঠি দেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে পাওয়া জবাবে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের আইকনে ক্লিক করুন।
We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.