নিউজ ডেক্সঃ-
ঢাকা মহানগরসহ দেশের ৪৩টি জেলায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বাজার তদারকি কার্যক্রমে ৮৬টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অদ্য ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

তদারকির আওতায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে মূল্যতালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি প্রতিরোধ, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ঔষধ বিক্রি বন্ধ এবং নকল ও ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও বিক্রয় রোধে বিভিন্ন বাজার ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মহানগরসহ দেশের ৪৩টি জেলায় মোট ২৬৮টি টিম বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ সময় বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৮৬টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।

এ ছাড়া জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিফলেট ও প্যাম্ফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি হ্যান্ডমাইকে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বাজার তদারকি কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিভাগ, কৃষি বিভাগ, মৎস্য বিভাগ, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প ও বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ভোক্তাদের পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা যাচাই, সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করা এবং পণ্যের সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে খাদ্য, পণ্য ও ঔষধ কেনার আহ্বান জানিয়েছে।
এ ছাড়া মিথ্যা ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন থেকে সতর্ক থাকা এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য প্রদান না করার জন্য ভোক্তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের বাজার তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
